রবিবার , ২ আগস্ট ২০১৫ | ২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কক্সবাজার
  9. করোনাভাইরাস
  10. খেলাধুলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা-উপজেলা
  13. পর্যটন
  14. প্রবাস
  15. বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

টেকনাফের বাহারছড়ায় সন্ত্রাসী হামলায় মহিলাসহ আহত ৬

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
আগস্ট ২, ২০১৫ ১১:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় মালিকপক্ষের মহিলাসহ ৬জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে স্বজনরা। ২ আগষ্ট দুপুর ১টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী এলাকার আবদুল গণির ছেলে ছালামত উল্লাহ গং উত্তর শীলখালী এলাকায় তাদের ৮৫ শতক পৈত্রিক সম্পত্তি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে ভোগ দখলে রয়েছে। সম্প্রতি একটি কুচক্রীমহল উক্ত জায়গা দখলে নিতে জাল দলিল সৃজন করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করে। এ নিয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ও এলাকার গন্যমান্য লোকজন নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠক হলেও উক্ত কুচক্রীমহলের কাগজপত্র জাল প্রমাণিত হলে তারা কৌশলে বিচার শালিস এড়িয়ে যায়।
সর্বশেষ ২ আগষ্ট দুপুরে পুর্ব নির্ধারিত বিচার শালিসের দিন ধার্য করা হলেও প্রতিপক্ষ মোটা অংকের টাকা দিয়ে ভাড়াটিয়া সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে উক্ত জায়গা দখলে নিতে এবং বিচার শালিসে না গিয়ে ওল্টো ছালামত উল্লাহ গং এর মহিলাসহ আরো ৬জনের উপর উপর্যুপরী হামলা চালায়।
আহত ছালামত উল্লাহ জানান, পুর্ব নির্ধারিত বিচার শালিসে জমি মালিক আবদুল গণির ছেলে ছালামত উল্লাহ গংসহ স্বজনরা দুপুরে যাওয়ার পথে গিয়াস উদ্দিন, আব্বাস আহমদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ভাড়াটিয়া সন্ত্রাস বাহিনী দা, লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর উপর্যুপরী হামলা চালায়। হামলাকারীদের সাথে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে উত্তর শীলখালী এলাকার শাহাব মিয়ার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী জকির আলম, সোলতান আহমদের ছেলে নুর মোহাম্মদ, হোছন আহমদের ছেলে ইসমাঈল ও আব্বাসের ছেলে মো: ঈসা রয়েছে বলে দাবী করেছেন ছালামত উল্লাহ গং।
হামলায় উত্তর শীলখালী এলাকার আবদুল গণির ছেলে ছালামত উল্লাহ, ছৈয়দুল ইসলামের ছেলে আনিসুল ইসলাম সোহেল, মৃত মো: শফির ছেলে ছৈয়দুল ইসলাম, আজিজ রহমানের ছেলে মো: নুরুল আবছার, ফয়েজ আহমদের ছেলে সায়েম, ছৈয়দুল ইসলামের স্ত্রী জাহেদা বেগম ও মাষ্টার মুহিব্বুল্লাহর স্ত্রী রেজিয়া পারভীন শিমু গুরুতর আহত হয়।
সংবাদ পেয়ে বাহারছড়া পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদরসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করে। বর্তমানে আহত ছালামত উল্লাহর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে টেকনাফ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘটিত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আগে অনেকবার বিচার শালিস বসে সমঝোতা করার তাগিদ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা বিচারে বসেনা।
অভিযোগ উঠা পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া না যাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
টেকনাফ থানা অফিসার্স ইনচার্জ মো: আতাউর রহমান খন্দকার জানান, ঘটনা শুনেছি, লিখিত অভিযোগ পেলে সন্ত্রাসীদের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ