1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

টেকনাফে রোহিঙ্গা নারীর মিথ্যা মামলায় নিরহ ট্রাক চালক পরিবার হয়রানীর শিকার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫
  • ১১৫ দেখা হয়েছে

টেকনাফ প্রতিনিধি :
সীমান্ত জনপদ টেকনাফে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নারী কর্তৃক এক নিরহ ট্রাক চালক পরিবারকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, হ্নীলা ইউনিয়নের মোচনী গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান মিস্ত্রির ছেলে ট্রাক ড্রাইভার শওকত আলীর পরিবারকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী ও ভোক্তভুগী শওকত প্রতিবেদককে জানান, লোভী স্বভাবের অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা রশিদা বেগমের চাল-চাতুরী বুঝতে না পেরে তার ফাদেঁ পা দিয়ে ২০১২ সালে তাকে বিয়ে করি। কিন্তু দুঃচরিত্রে  রোহিঙ্গা মহিলা রশিদার অস্বাভাবিক আচরণ আমাকে বিষিয়ে তুলেছে।
প্রকৃত পক্ষে রশিদা ও তার মা আমার অজান্তে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত ছিল। অনেক সময় আমাকে তাদের সিন্ডিকেটের ইয়াবা পাচারের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তাব দিত। আমি তাতে রাজী না হওয়ায় আমার উপর ক্ষেপে আমার সাথে অশালিন ভাষায় গালমন্দ করত। এদিকে আমি জানতে পারি যে, রশিদা বেগমের একাধিক স্বামী রয়েছে। তার মধ্যে লেদা টালের শব্বির আহমদের সাথে প্রায় সময় আম অনুপস্থিতিতে তার সাথে চুপিচুপি দেখা করত। একদিন এলাকার লোকজন তাদেরকে অনৈতিক অবস্থায় ধরে গণধোলাই দিয়েিেছল। এসব জানার পর আমি কার সাথে সংসার না করা সিদ্ধান্ত নিই। উল্লেখ্য, লোক-লজ্জার ভয়ে শরবতে ইদুরের ঔষুধ মিশিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল সে।  যা এলাকার সকলে অবগত। এঘটনার সূত্র ধরে তার সাথে আমার সম্পর্কের অবসান ঘটে। প্রকৃত পক্ষে রশিদা বেগম একজন মামলাবাজ ও মাদকব্যবসায়ী এবং দুঃচরিত্রের মহিলা। সে বিভিন্ন ছদ্মনাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে বিবাহ করেছে। বিবাহ করে কিছুদিন সংসার করে আবার বিবাহ বিচ্ছেদ করে মামলা দিয়ে টাকা আদায় করাই মুলত তার কাজ। সে এভাবে আমার মত অনেককে হয়রানি করেছে। উল্লেখ্য, আমার সাথে বিবাহ হওয়ার পূর্বে চট্রগ্রামে ছদ্মনাম, ঠিকানা ব্যবহার করে বিবাহ করে ২০১২সালের ২১ অক্টোবর মোঃ আরিফ প্রকাশ রাশেদ নামের একজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-১, চট্রগ্রামে মামলা করেছিল। যার মামলা নং- ১০৯৯/২০১২ ইং।
উল্লেখ্য, আমার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পর গত ২৬ জানুয়ারী ১টা ৪৫ মিনিটের সময় চট্রগ্রামের কোতোয়ালী থানার পুলিশ ৬ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করেছিল।যার মামলা নং-৩৮/১৫। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আমার সাথে বিবাহ হওয়ার পূর্বে মা-মেয়ে দু’জনে চট্রগ্রামে ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেল হাজত ভোগ করেছে।
সর্বশেষ গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে তার অভিযোগের ভিত্তিতে টেকনাফ পৌরসভার মেয়র জনাব হাজী  মোঃ ইসলামের আদালতে তার সাথে আমার সাংসারিক জীবনের অবসান ঘটে। উভয়ে সংসার করতে রাজী না থাকায় দেন মোহর ও ইদ্যতকালীন সময়ে খোরপোষ বাবত ৮০’হাজার টাকা পরিশোধ করতে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। যা কাউন্সিলর মোঃ ইউনুছ একাধিক স্বাক্ষীদের নিয়ে নিজ হাতে রশিদা বেগমকে পরিশোধ করি। সুতরাং আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের মিথ্যা যৌতুক মামলা করা হয়রানী ছাড়া কিছু নই। আমি যদি তাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতাম তাহলে অবশ্য বিবাহ বিচ্ছেদের বিচারে উত্তাপিত করত বলে ভোক্তভুগি শওকত ড্রাইভার জানান। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানান, শওকত ড্রাইভারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে। ভোক্তভুগি ড্রাইভার পরিবার সুষ্ট তদন্ত পূর্বক চরিত্রহীন, মামলাবাজ অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নারী রশিদা বেগমের অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা কামনা করছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com