1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

টেকনাফে শ্রমিকদের জন্য বরাদ্ধ খাদ্য শষ্য কালো বাজারে পাচারের অভিযোগ

  • আপডেট : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০১৫
  • ১৪০ দেখা হয়েছে

Ovijogমোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ : টেকনাফে গ্রামীণ অবকাটামো বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন খাতে কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় শ্রমিকদের জন্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর থেকে খাদ্য শষ্য গম ও চাল বরাদ্ধ দিয়ে ছিল, তা কালো বাজারে পাচার হয়ে গেছে। ফলে শ্রমিকেরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২০১৪-২০১৫ গেল অর্থ বছরে টেকনাফ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের অধিনে মন্ত্রণালয় গ্রামীণ অবকাটামো বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কলপে কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় শ্রমিকদের জন্য খাদ্য শষ্য গম ও চাল বরাদ্ধ দিয়েছিল। উক্ত খাদ্য শষ্য কেজি পরিমাণ শ্রমিকদের কাছে যায়নি। এসব খাদ্য শষ্য কালো বাজারি বিক্রি হয়েগেছে। জানা যায়, সংশ্লিষ্ঠ খাদ্য অধিদপ্তরের প্রদত্ত পজ্ঞাপনে উল্লেখ আছে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচীর আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো হাতে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়, তার বিপরীত এসব খাদ্য শষ্য সরাসরি শ্রমিকদের দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তাহা মানা হয়না। দেওয়া হয় খাদ্যের বিনিময়ে নদগ টাকা। এতে শ্রমিকেরা প্রতারণা এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। টেকনাফ উপজেলা ৬ ইউনিয়নের গেল অর্থ বছরে কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচী আওতায় যেসব খাদ্য শষ্য সংশ্লিষ্ঠ প্রকল্প সভাপতির অধিনে বরাদ্ধ এবং উত্তোলনের ছাদপত্র বা ডিও প্রদান করেন, তারা এসব খাদ্য শষ্য সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিদি পরশপর যোগসাজোসে স্থানীয় মিলমালিক এবং ডিলারদের কাছে কালো বাজারি বিক্রি করে দেয়। যার মাথার গাম পায়ে পেলে দেশের উন্নয়ন কাজ করছে তারা এসব খাদ্য শষ্য এবং ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। প্রকল্প সভাপতিরা খাদ্য শষ্যের ছাদপত্র স্থানীয় ডিলারদের কাছে বিক্রি করে। এবং ডিলারেরা ঐ ছাদপত্র ও ডিও লেটার নিয়ে সরাসরি খাদ্য গোদাম থেকে খাদ্য শষ্য উত্তোলন করে তাদের মিলে গোদাম জাত করে রাখে। পরে বাজারে চড়া মূলে এসব খাদ্য শষ্য বিক্রি করে। এতে একদিকে যেমন শ্রমিকেরা তাদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অপর দিকে স্থানীয় বাজারে খাদ্য শষ্যের অনৈতিক বিরুপ প্রভাব পড়ছে। টেকনাফ খাদ্য গোদাম কর্মকর্তা কফিল উদ্দিন জানান- গেল অর্থ বছরে খাদ্য শষ্যের মধ্যে চাল ২ হাজার মেঃ টন ও গম ৭ শত মেঃ টন গোদামে জমা হয়েছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Site Customized By NewsTech.Com