1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

পাহাড়ে প্রাণহানি ঠেকাতে মাঠে ডিসি—এসপি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ৯২ দেখা হয়েছে

এম.এ আজিজ রাসেল :
টানা ভারী বর্ষণের দু—একদিন পর আবারও শনিবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে কক্সবাজারে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। এতে শহরের প্রধান সড়কের পাশাপাশি গলি সড়কগুলোও পানিতে ডুবে গেছে। পাহাড়ের ঢালে বসবাসকরা মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে জেলা প্রশাসন থেকে আহ্বান করা হচ্ছে। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৮টি টিম মাঠে রয়েছে। এসব টিমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবক আছেন বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।

কক্সবাজার আবহাওয়া দপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে আবহাওয়ার সতর্কতা সংকেত জারি নেই। রোববার (১ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কক্সবাজারে ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে জীবন ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ে বসবাসকারীদের সকল ধরণের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পাহাড়ের বসতি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শীঘ্রই অভিযান শুরু হবে।

রবিবার (১ আগষ্ট) বিকেলে কক্সবাজার শহরের ৯নং ওয়ার্ডের ঘোনারপাড়াসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালাতে গিয়ে ডিসি মো. মামুনুর রশীদ এমন ঘোষণা দেন।

এ সময় পাহাড়ের পাদদেশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের জীবন রক্ষায় সাইক্লোন শেল্টার অথবা আত্মীয়—স্বজনের বাসা বাড়িতে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেন জেলা প্রশাসক। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেন।

পাহাড়ে বসবাসকারীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের ঘটনা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। ইতোমধ্যে অনেকের প্রাণহানি হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে বসতবাড়ি। আমরা কাউকে ঝুঁকিপূর্ণস্থানে বসবাস করতে দেব না। জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি আপনাদেরও সেটি বুঝতে হবে। প্রশাসনের ৮টি টিম কাজ করছে।

অভিযানকালে জেলা প্রশাসক নিজেই ঘরে ঘরে গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন এবং তাদেরকে বসতঘর তালাবদ্ধ করে আশ্রয়কেন্দ্র চলে যাওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানান। অন্যথায় প্রশাসনের টিম গিয়ে ঘরগুলো তালা মেরে দেবে বলে ঘোষণা দেন।

এ সময় পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ, স্থানীয় কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবিরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com