শনিবার , ১ জানুয়ারি ২০২২ | ২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কক্সবাজার
  9. করোনাভাইরাস
  10. খেলাধুলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা-উপজেলা
  13. পর্যটন
  14. প্রবাস
  15. বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

বছরের শেষ সূর্যাস্তটা দেখে মনটা আনন্দে ভরে উঠলো

প্রতিবেদক
সৈয়দ আলম
জানুয়ারি ১, ২০২২ ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
২০২১ সালের শেষ দিনের সূর্যাস্ত দেখতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ভিড় করেছে হাজারো মানুষ। উন্মুক্তভাবে থার্টি-ফার্স্ট উদযাপন করা না গেলেও বছর শেষ দিনে সূর্যের হাতছানি দেখতে ভিড় করেছে তারা।
শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) শেষ বিকেলে সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে সূর্যাস্তের সময় এমন ভিড় দেখা গেছে। রাত ১২ টার পরেই শুরু হবে ২০২২ সালের নতুন বছরের পথ চলা। মহামারী করোনা সংকট কাটিয়ে নতুন বছরের নতুন পথচলার প্রত্যাশায় সকলেই। তবে আশানুরূপ পর্যটক আসেনি এবছর। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় স্থানীয় ও পর্যটকরা সৈকতে ভিড় করেছে।
এদিকে সূর্যাস্ত দেখতে আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করছে ট্যুরিষ্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। জেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরাও পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা পেতে হেল্প ডেস্ক চালু করেছে। পর্যটকদের আনাগোনায় হাসি ফুটেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখে।
এবার উন্মুক্ত স্থানে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন হবে না বলে জানায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। তবে দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদন জানান, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসহ পর্যটন স্পটগুলোতে সার্বক্ষণিক ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছে। কোনো পর্যটক যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে আমাদের যথেষ্ট নজর ও মনিটরিং রয়েছে। সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের সদস্যরা রয়েছে। পর্যকদের সুবিধা-অসুবিধা সবসময় দেখভাল করছেন তারা।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মো. আবু সুফিয়ান বলেন, ‘উন্মুক্ত স্থানে থার্টি ফার্স্ট করা না গেলেও পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকরা ভিড় করেছে। এই বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকরা ভিড় করেছে। স্থানীয় ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকদের বাড়তি নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করছে জেলা প্রশাসন। তাদের নিরাপত্তার জন্য সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রশাসনের জনবল নিয়োজিত রয়েছে।’
ঢাকা থেকে আগত আনিস-রামিজা দম্পতি বলেন, ‘বিয়ের পর এই প্রথম কক্সবাজার আসা। আমাদের আশা ছিল ২০২১ সালের শেষ দিনটা কক্সবাজারে কাটাবো। আল্লাহ্ সেই আশা পূরণ করেছে। অনেক ভালো লাগছে। বছরের শেষ সূর্যাস্তটা দেখে মনটা আনন্দে ভরে উঠলো।
সাভারের শাহিন বলেন, ‘অনেক আগে কক্সবাজার আসার কথা ছিল। তাই পুরো পরিবার নিয়ে এ বছরের শেষদিন কক্সবাজারে কাটাতে আসলাম। এসে খুবই ভালো লাগছে। অনেক মজা করেছি আমরা।
এদিকে বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে বিদেশী পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। বিদেশী পর্যটকরাও সমুদ্রস্নানসহ বালিয়াড়িতে মনের মাধুরী মিশিয়ে মেতে উঠেছে আনন্দ উচ্ছ্বাসে।
জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ বলেন, বছরের শেষদিন হিসেবে প্রতিবছর এদিনে প্রচুর পর্যটক ছুটে আসে কক্সবাজারে। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়।

সর্বশেষ - অপরাধ