1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

বাড়ি ফিরলো আরও ১৪৬ অভিবাসী

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০১৫
  • ৫৩ দেখা হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রাখা ১৫৫ জন অভিবাসির মধ্যে বাকি ১শ ৪৬ জনকেও যাচাই-বাচাই প্রক্রিয়া শেষ করে নিজ জিম্মায় বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে কক্সবাজার পুলিশ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ১৫৫ জনের মধ্যে ৯জন শিশু-কিশোর হওয়ায় ওইদিন দুপুরে তাদেরকে আদালতে হাজির করে স্থানীয় রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির জিম্মায় বিকালে তাদেরকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্ব স্ব বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন জানায়,শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে ৪টি বাস করে এই ১শ ৪৬ জনকে নিজ জিম্মায় পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার দিনভর পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ১৪ জেলার ৭০ জন দালালের নাম জানতে পারে।এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান।
অভিবাসী যাত্রীর মধ্যে সর্বোচ্চ নারায়ণগঞ্জের ৪০ জন, ঝীনাইদহের ১৩জন,মাদারী পুরের ১৪ জন, কুষ্টিয়ার ৪ জন, মাগুরার ৬ জন, পাবনার ১২ জন,যশোরের ৮ জন, সিরাজগঞ্জের ২৬ জন, চুয়াডাঙ্গার ১১ জন, কুমিল্লর ৬ জন, জয়পুরহাটের ৫ জন, সুনামগঞ্জের ৮ জন এবং সাতক্ষীরার ২ জন রয়েছেন।
সাগরে উদ্ধার মায়ানমার ফেরত মো:সাইফুল ইসলাম জানান, ৫ মাস ধরে আমরা ঘরের বাইরে। আমাদের কুমিল্লার এক দালাল ফুসলিয়ে আমিসহ আরো পাঁচজনকে টেকনাফে নিয়ে আসে। প্রায় একমাস সাগরে ভাসমান ছিলাম। সাগর থেকে আমাদের উদ্ধার করে মায়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়।
মো;ইদ্রিস নামে আরেক যাত্রী শপথ করে বলেন, জীবনেও আর কখনো ভুল করবনা। পাড়ার সকলকে আমাদের করুণ কাহিনী বলে সচেতন করব। একই কথা বলেন, আবু বক্কর ও নুরুল ইসলাম নামে আরো দুই যাত্রী। তাদের ভাষ্য হলো, আমরা মরণের পর আবার জীবন ফিরে পাওয়ার অবস্থা। প্রায় দেড় মাস খাবার পায়নি। একলাখ টাকা নিয়ে আমাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর কথায় সাগরে আটকিয়ে রাখে।
আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) কক্সবাজারের প্রোগ্রাম অফিসার আসিফ মনির বলেন,উদ্ধার হওয়া সকল অভিবাসীকে অবৈধ পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া লোকজনও ভুল পথে পা দিবেনা বলে শপথ করছে।  তিনি বলেন, এ পর্যন্ত উদ্ধারকৃত সকল অভিবাসীকে নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। ঢাকা কিংবা নিজ জেলা ভিত্তিক অনুষ্ঠানটি হতে পারে। উদ্ধারপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থানের বিষয়ই অনুষ্ঠানে প্রাধান্য পাবে।তিনি আরও জানান, গত বুধবার ১৫৫ জনকে স্বদেশে ফেরত আনা ছাড়াও ৭২৭ অভিবাসী থেকে আরও ৩৭৩ জনকে বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্ত করাদেরকে আগামি সপ্তাহে দেশে ফিরে আনা হবে।এদের আগামী ২৯ অথবা ৩০ জুলাই আরো ১শ ৫৯ বাংলাদেশিকে মিয়ানমার থেকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত আনা হবে।
এব্যাপারে প্রেস ব্রিফিংকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ জানান, যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মিয়ামনার থেকে ফেরত আনা ১৫৫ বাংলাদেশীকে নিজ ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ওই ১৫৫ জন দেশের ১৪ জেলার বাসিন্দা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদকালে ফেরত বাংলাদেশিরা ৭০ জন দালালের নাম উল্লেখ করেছেন। মানবপাচারের অভিযোগে ওই ৭০ দালালের ১৪ টি জেলায় একটি করে মামলা দায়ের করা হবে।
উল্লেখ্য গত ২১ মে সমুদ্র উপকূলে ভাসমান অবস্থায় ২০৮ অভিবাসীকে উদ্ধার করে মিয়ানমার। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্ত ১৫০ জনকে ৮ জুন এবং ৩৭ জনকে ১৯ জুন সর্বশেষ ১৫৫ জনকে ২২ জুলাই ফেরত আনা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com