বুধবার , ২৬ আগস্ট ২০১৫ | ২১শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কক্সবাজার
  9. করোনাভাইরাস
  10. খেলাধুলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা-উপজেলা
  13. পর্যটন
  14. প্রবাস
  15. বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

মহেশখালীতে আনন্দ স্কুলের প্রায় অর্ধকোটি টাকা টিসি লতিফ ও দালালদের পকেটে

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
আগস্ট ২৬, ২০১৫ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ

এ.এম হোবাইব সজীব :
মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নের আনন্দ স্কুলের উপকরনের প্রায় অর্ধকোটি টাকা টিসি আব্দুল লতিফ ও তার নিযুক্ত দালালেরা পকেটেস্থ করেছে তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাবকের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। তথ্য নিয়ে জানা যায়, দ্বীপ ইউনিয়ন মাতারবাড়িতে ৫৭ টি শিক্ষা কেন্দ্রের জন্য সরকারী ভাবে ছাত্রছাত্রীদের জন্য পোশাক, শিক্ষা কেন্দ্রের ভাড়া সহ যাবতীয় কার্যক্রমের জন্য একটি মোটা অংকের টাকা বরাদ্ব থাকলে ও তা কোন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাবহদের না জানিয়ে টিসি আব্দুল লতিফ ও তার নিযুক্ত দু’ মুখোশধারী মহিলা মেম্বার কেন্দ্র শিক্ষকদের সাথে গোপনে আতাঁত করে লুটপাট করে খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ২৬ আগষ্ট সরেজমিনে সংবাদকর্মী ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন শিক্ষা অফিসের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখতে পায় টিসি আব্দুল লতিফ কেন্দ্র শিক্ষকদের নিয়ে মন গড়া কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে রেজ্যুলেশন তৈরী করে টাকা উত্তোলন করেন। আরো জানা গেছে, টিসি আব্দুল লতিফ আনন্দ স্কুলের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অজান্তে সম্প্রতি মাতারবাড়ি গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের অভিবাবকের কাছ থেকে টাকা চাইতে গেলে উত্তেজিত জনতা ও মহিলারা ঝাড়– পেটা ও গনপিটুনি দিয়েছে এবং তার সাথে থাকা উপবৃত্তির টাকার মেইন কপি ও ডি আর ফরমের আসল কপি কেড়ে নিয়েছে অতদসত্বে ও টিসি লতিফ ঘটনাটি কারো প্রকাশ না করে গোপনে কম্পিউটার থেকে নকল কপি বের করে নানান অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। গত ২৬ আগষ্ট উপকরনের টাকা শিক্ষকেরা ব্যাংক থেকে উত্তোলনকালীন সময় টিসি নিজেই সার্বক্ষনিক ব্যাংকে অবস্থান করে শিক্ষকদের সাথে যৌথ মিলে মুখোশধারী ২ মহিলা মেম্বার এবং তাদের গংয়েরা ভাগভাটোয়ার করে নিয়েছে অথচ শিক্ষার্থীদের অভিবাবক, আনন্দ স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্থরের লোকদের না জানিয়ে টিসি আব্দুল লতিফ ও মুখোশধারী গংয়েরা ভাগভাটোয়ারা করে খাচ্ছে। এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা’র কাছ থেকে আনন্দ স্কুলের টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে জিজ্ঞাস করা হলে সে সরাসরি নাটকিয় ভাবে অস্বীকার করে বলেন আনন্দ স্কুলের টাকা উত্তোলনের বিষয়টি আমি জানিনা। অথচ তার ব্যাংক থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা শিক্ষার্থীদের অভিবাবকদের না জানিয়ে শিক্ষকেরা তুলে ভাগভাটোয়ারা করে খাচ্ছে। এ ব্যাপারে টিসি আব্দুল লতিফের কাছ থেকে মাতারবাড়িতে উত্তেজিত জনতার গনপিটুনি, মুল কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার বিষয়টি জিজ্ঞাস করা হলে লতিফ বিষয়টি এড়িয়ে চলে যান এবং টিসি লতিফ সহ তার দালালেরা টাকা ভাগভাটোয়ার কথা অস্বীকার করেন। অথচ শিক্ষকদেরকে গোপনে সোনালী ব্যাংকে চলে আসার জন্য তার নাম্বার থেকে ম্যাসেজ ও দিয়েছে। সচেতন মহল গনমাধ্যমের মাধ্যমে রক্স প্রকল্পের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কাছে জানতে চান কেন্দ্রের জন্য বরাদ্ব উত্তোলনকৃত প্রায় অর্ধকোটি কোথায় চলে গেছে আদৌ কি শিক্ষার্থীরা পোশাক ও অন্যান্য জিনিস পত্র পেয়েছে কিনা। যদি ঘটনাটি কোন প্রকার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় তাহলে মাতারবাড়ি বাসি কঠের কর্মসুচী দেওয়ার হুমকি প্রদান করেছে।

সর্বশেষ - অপরাধ