ঢাকাশনিবার , ১৩ জুলাই ২০২৪
  1. সর্বশেষ
  2. জাতীয়

রাত ১২টা ১ মিনিটে ৬৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
৩১ জুলাই ২০১৫, ১১:৩১ অপরাহ্ণ

Link Copied!

ছিটমহল বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হচ্ছে। বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত ১১১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা বাংলাদেশের এবং ভারতের ভেতরে অবস্থিত ৫১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা ভারতের নাগরিক হয়ে যাবেন। এর মধ্য দিয়ে ৪৩ বছর ধরে ঝুলে থাকা এক মানবিক সমস্যা নাগরিকত্বহীনতার অবসান ঘটবে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের।
দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর হতাশার অপেক্ষা শেষে শনিবার নতুন সুর্যোদয় ঘটবে ছিটমহলগুলোতে। ‘পরাধীন’ এসব ছিটমহলের মানুষ একে বলছে তাদের প্রকৃত স্বাধীনতা হিসেবে। এই আনন্দ উদযাপন করতে তারা আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানের। ঘরে ঘরে আয়োজন করেছে বিশেষ খাবারের।
যুগ-যুগান্তরের দুঃখ-বেদনা পেরিয়ে এখন ছিটমহলবাসীর সামনে ক্ষণগণনা। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিট। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা সমস্বরে স্লোগান তুলবে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’। গাইবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’। আর ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা গাইবে ভারতের জাতীয় সংগীত।
এতদিন যে ছিটমহলের মালিক ছিল ভারত, সেখানে উড়বে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। একইভাবে ভারতের পতাকা উড়বে এত দিন বাংলাদেশের মালিকানায় থাকা ছিটমহলগুলোতে। আর তা ঘোষণা করবে এসব ছিটমহলের মানুষের মুক্তির বারতা।
পরিসংখানের হিসাবে ভারতের ভেতরের ছিটমহলগুলোর মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার অধীনে ছিল ১৮টি ও লালমনিরহাট জেলার অধীনে ৩৩টি। এগুলো ভারতের কোচবিহার জেলার প্রশাসনিক সীমানার ভেতরে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলায় ১২টি, লালমনিরহাট জেলায় ৫৯টি, পঞ্চগড় জেলায় ৩৬টি ও নীলফামারীতে রয়েছে চারটি।
চলতি বছরের ৬ থেকে ১৬ জুলাই যৌথ জনগণনা অনুযায়ী ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ১১১টি ছিটমহলের লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪৪ হাজার।বাংলাদেশ ও ভারতের এসব ছিটমহলের নাগরিকরা ইতিমধ্যে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী দেশ বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশের ভেতরের ছিটমহলগুলো থেকে হাজার খানেকের মতো নাগরিক ভারতে চলে যেতে আবেদন করেছে। গত ৬ জুন ঢাকায় ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের স্থলসীমান্ত চুক্তির দলিল হস্তান্তরিত হয়। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এসব ছিটমহলবাসীর ৬৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে। স্থলসীমান্ত এই চুক্তি মূলত স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৭২ সালে, যা মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত। চুক্তিটি বাংলাদেশের সংসদে অনুমোদিত হলেও ভারতের পার্লামেন্টে পাস না হওয়ায় এত দিন ঝুলে ছিল। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটি এ বছর সংসদে পাস হয়।

আরও পড়ুন

কক্সবাজার ঘিরে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে নেয়া হচ্ছে জনগণের মতামত

৩৩ দিন পর টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে নৌযান চলাচল 

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পড়ে আছে ভারতের দেয়া উপহার আইসিইউ এ্যাম্বুলেন্স

রামুতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার টেকনাফ থানার ওসি ওসমান গনি

সেন্টমার্টিনে আসা রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারটি মিয়ানমারে ফিরে গেছে

২ রোহিঙ্গা যুবকের দেহ তল্লাশিতে মিললো অস্ত্র গুলি

সেন্টমার্টিনে ভিড়ল মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার

কক্সবাজারে বন্য হাতির আক্রমণে মৎস্য ব্যবসায়ীর মৃত্যু 

রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে   চেয়ারম্যান পদে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

উখিয়ায় উপনির্বাচনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা