ঢাকাশনিবার , ১৩ জুলাই ২০২৪
  1. সর্বশেষ
  2. উপজেলা

পেকুয়ার ছিরাদিয়াগ্রাম জোয়ার ভাটার লোকালয়ে পরিণত হয়েছে

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
১৬ আগস্ট ২০১৫, ১০:১৬ অপরাহ্ণ

Link Copied!

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী, পেকুয়া :
কক্সবাজারের পেকুয়ায় জোয়ার ভাটার লোকালয়ে পরিণত হয়েছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছিরাদিয়াগ্রাম। ফলে, চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে গ্রামটির মানূষ মানবেতর জিবন যাপন করছেন। জানা যায়, সম্প্রতি দু’দফা বন্যায় আক্রান্ত হয় পুরো উপজেলা। এসময় বিস্তির্ণ বেড়িবাঁধের অংশ ভেংগে জলাবদ্ধতার শিকার হয় লোকালয়। পরে, বন্যার পানি দ্রুত নিষ্কাসনে বেড়িবাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টের বাঁধ কেটে দেয় স্থানীয় প্রশাসন। এতে ফলও মিলে। দ্রুত নামতে শুরু করে বন্যার পানি। পরবর্তীতে জরুরী ভিত্তিতে বেড়িবাঁধ সংষ্কারের উদ্যোগও নেয় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু উপজেলার সদর ইউনিয়নের দূর্গম ও অবহেলিত ছিরাদিয়াগ্রামের কেটে দেয়া বেড়িবাঁধের ৪টি স্পটের সংষ্কার বরাদ্ধ অপ্রতুল জানিয়ে তার সংষ্কারের দায়িত্ব নেয়নি কেউ। আর অদ্যাবধি কেটে দেয়া বেড়িবাঁধের ওই অংশগুলো মেরামত না হওয়ায় উপজেলার দরিদ্র পীড়িত ছিরাদিয়াগ্রামটি পরিণত হয় জোয়ার ভাটার লোকালয়ে। ফলে, এযাবত ওই এলাকার মানূষ জোয়ারের পানিতে ডুবছে আর ভাটারকালে কাদা মাটি আর পানিতে চরম ভোগান্তি ভোগ করছেন। স্থানীয় ছিরাদিয়া সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ নাজিরুল ইসলাম লালা বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের বরাবরে অবহিতে এ প্রতিবেদকের স্মরণাপন্ন হন। খবর পেয়ে গতকাল রোববার সকালে এ প্রতিবেদক সরোজমিন গ্রামটি ঘুরতে যান। এসময় সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ওই এলাকার শত শত লোকজন ছুটে এসে তার কাছে জানায়, দফায় দফায় বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় তাদের গ্রামটির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রভুত। কিন্তু এ যাবত তারা পায়নি পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী। এখনো তাদের ভাগ্যে জুটেনি পূর্ণবাসন সহায়তাও। শুধু মাত্র ছিরাদিয়া সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ নাজিরুল ইসলাম লালা ও তার লোকজন বন্যকালীন যে ত্রান সাহায্য দিয়েছে তাই পেয়েছেন। তারা এবারের বন্যার ভয়াবহতায় সবাই পথে বসেছেন বলে জানান। হারিয়েছেন বাড়িঘর আর সহায় সম্পদ সর্বস্ব। গ্রামে বিরাজ করছে নিরব কান্না, হাহাকার, অভাব ও দূর্ভিক্ষ। তারপরেও খবর নিচ্ছেনা কেউ। তাদের জানমাল রক্ষায় এগিয়ে আসছেনা কোন মহল। তার উপর ওই এলাকার কেটে দেয়া বেড়িবাঁধের অংশগুলোর দ্রুত সংষ্কার ব্যবস্থা না নেয়ায় গ্রামটি পরিণত হয়েছে জোয়ার ভাটার লোকালয়ে। শুধু তাই নয়, সংষ্কার বঞ্চিত বেড়িবাঁধের ভাংগা অংশ দিয়ে নিয়মিত জোয়ার ভাটার পানি উঠানামা করায় আশপাশের এলাকায়ও দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতার প্রকট। এ অবস্থা অব্যাহত থাকায় সেখানে বসবাসকারী লোকজন না পারছে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর মেরামত করতে। না পারছে নিয়মিত কাজ করে আয় করতে। তাদের দিনের আয় রাতের ঘুম নেই মন্তব্য করে লোকজন অভিলম্ভে তাদের ছিরাদিয়াগ্রামের কেটে দেয়া বেড়িবাঁধের সংষ্কারের পাশাপাশি ত্রাণ ও পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া জোরদারে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সু’দৃষ্টি পদক্ষেপ কামনা করেছেন। পেকুয়ার ইউএনও মোঃ মারুফুর রশিদ খান জানান, এবিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

কক্সবাজার ঘিরে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে নেয়া হচ্ছে জনগণের মতামত

৩৩ দিন পর টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে নৌযান চলাচল 

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পড়ে আছে ভারতের দেয়া উপহার আইসিইউ এ্যাম্বুলেন্স

রামুতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার টেকনাফ থানার ওসি ওসমান গনি

সেন্টমার্টিনে আসা রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারটি মিয়ানমারে ফিরে গেছে

২ রোহিঙ্গা যুবকের দেহ তল্লাশিতে মিললো অস্ত্র গুলি

সেন্টমার্টিনে ভিড়ল মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার

কক্সবাজারে বন্য হাতির আক্রমণে মৎস্য ব্যবসায়ীর মৃত্যু 

রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে   চেয়ারম্যান পদে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

উখিয়ায় উপনির্বাচনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা