ঢাকাশনিবার , ১৩ জুলাই ২০২৪
  1. সর্বশেষ
  2. জাতীয়

নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে সেনাবাহিনী : ইসি আলমগীর

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
২৬ আগস্ট ২০২২, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

Link Copied!

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো: আলমগীর। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী তাদের সহায়তা নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। এদিন তিনি নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সাথে সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারা ইভিএমে কারিগরি সহায়তা দিতে ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে। এছাড়া অন্য কোনো ভূমিকায় রাখার সুযোগ নেই। যেখানে প্রয়োজন আছে, সেখানে ডাকলে চলে আসবে। কেননা, তাদের কাজ বাদ দিয়ে তো তাদের নামাতে পারবো না। এতো লোকবল তো তাদের নেই। পুলিশ, বিজিবি, আনসারের মতো তো প্রতি কেন্দ্রে তাদের রাখা সম্ভব নয়। আমরা তাদের সহায়তা নেবো। সরকারকে সে বিষয়ে প্রস্তাব দেবো। সে সহায়তা দেয়ার তাদের আইন অধিকার আছে এবং আমাদের নেয়ার অধিকার আছে তার পুরোটাই নেব। আইন অনুযায়ী, তারা সহায়তা দিতে বাধ্য। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে কন্ট্রোল করতে না পারলে তখন সেনার সহায়তা চাওয়া হয়। সেটাই নিয়ম। সেটাই আইনে বলা আছে।

মো: আলমগীর বলেন, ‘কোনো একটা দল না এলেও আমাদের নির্বাচন করতে হবে। না হলে সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য দায়ী হবো। আমরা বলব কোনো দল এলেও নির্বাচন হবে, না এলেও নির্বাচন হবে। কারো নাম উল্লেখ করব না। আমরা বলব, কোনো দল না এলেও নির্বাচন হবে।’

বিএনপি ও জাপা ইভিএম চায়নি, তাদের বাইরে রেখে নির্বাচন করবেন? এ প্রশ্নের জবাবে ইসি বলেন, ‘আমরা তো তাদের বাইরে রাখতে চাই না। ৩৯টি দলের কথাকেই আমরা মূল্যায়ন করেছি। আমাদের দৃষ্টিতে সবাই সমান। উনারা কী বলেছেন তা আমাদের কাছে রেকর্ড আছে। সেগুলোর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে দেখা গেছে বেশিরভাগ দল ইভিএমের পক্ষে বলেছে। সুতরাং কারো কথা আমরা উপেক্ষা করেছি এ বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো একটি দলকে নির্বাচনে আনা বা না আনার দায়িত্ব ইসির নয়। সংবিধানের কোথাও আমাদের এ দায়িত্ব দেয়া হয়নি।’

ভোট গ্রহণে ইভিএমের ব্যবহার সম্পর্কে ইসি আলমগীর বলেন, বর্তমানে সক্ষমতা আছে ৭০ থেকে ৮০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করার। কতটা হবে তখন বলা যাবে। দেখা গেল মেশিন হয়েছে বা সক্ষমতা নেই তাহলে ৭০-৮০টাও হতে পারে, আবার ৫০টাতেও হতে পারে। তবে ১৫০টির ওপরে হবে না। মিনিমাম ধরে রাখেন ৭০-৮০টা। কোনো কারণে যদি আমরা নতুন মেশিন কিনতে না পারি, কেননা হার্ডওয়ার পুরোটাই বিদেশ থেকে আসে। তারা যদি না দিতে পারে। তখন হয়তো আর কিনতে পারব না। আবার ফান্ড যদি না পাই তাহলেও তো কিনতে পারব না। ১৫০টি আসনের জন্য আনুমানিক আরো প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ ইভিএম কিনতে হবে। বিদেশী কোম্পানি কত দাম চায়, প্রশিক্ষণের বিষয় আছে, ওই সময় ডলারের দাম কত থাকবে এসব বিষয় নিয়ে প্রকল্প নেয়া হবে।

ভোটের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ ইসি চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কয়েকটা রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব ছিল যেন নির্বাচনের সময় ওই মন্ত্রণালয়গুলো কমিশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়। আমরা সেটার সাথে একমত হইনি।’

তিনি বলেন, ‘ভোটের সময় চারটি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কমিশন চায় বলে যে সংবাদ প্রচার হয়েছে, তা সঠিক নয়। কমিশন সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছ থেকে যা যা সহায়তা প্রয়োজন তাই চায়।’

আরও পড়ুন

কক্সবাজার ঘিরে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে নেয়া হচ্ছে জনগণের মতামত

৩৩ দিন পর টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে নৌযান চলাচল 

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পড়ে আছে ভারতের দেয়া উপহার আইসিইউ এ্যাম্বুলেন্স

রামুতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার টেকনাফ থানার ওসি ওসমান গনি

সেন্টমার্টিনে আসা রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারটি মিয়ানমারে ফিরে গেছে

২ রোহিঙ্গা যুবকের দেহ তল্লাশিতে মিললো অস্ত্র গুলি

সেন্টমার্টিনে ভিড়ল মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার

কক্সবাজারে বন্য হাতির আক্রমণে মৎস্য ব্যবসায়ীর মৃত্যু 

রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচনে   চেয়ারম্যান পদে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

উখিয়ায় উপনির্বাচনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা